Logo
শিরোনাম
টাঙ্গাইল গোপালপুরের মাহমুদপুরের গনহত্যা দিবস স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ঘাটাইল পৌরসভায় শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দেউলাবাড়ি ইউনিয়ন আ’লীগের দোয়া মাহফিল এবং কেক কাটা অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভুমিহীনদের মাঝে ঘর হস্তান্তর। স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গাছ কাটা ও বাড়িঘর ও লুটপাটের অভিযোগ তরুণ ও শিক্ষিত মেধাবীদেরকে দলে জায়গা দিতে হবে: কৃষিমন্ত্রী ভিপি রুবেলের পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত -একাত্তরের কন্ঠ ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস.এম রকিবুল হাসান (মানিক)। বেলায়েত হোসেনকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান।

আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর

রাফসান সাইফ সন্ধিঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামী, টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর হয়েছে। ১৪তম বারের মতো এবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা জজ কোর্টের পি.পি এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা যে কোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

এরআগে গত ১৮ আগস্ট সকালে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে সহিদুর রহমান খান মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন মুক্তি।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর দফায় দফায় তার পক্ষে আইনজীবীরা ১৪ বার জামিনের আবেদন করেছেন। তবে প্রতিবারই ওই আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

ফারুক হত্যাকান্ডে আমানুর রহমান খান রানা, সহিদুর রহমান খান মুক্তি সহ তদের অপর দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পারও জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এরপর তারা সবাই আত্মগোপনে চলে যান। এর মধ্যে আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। অপর দুই ভাই কাকন ও বাপ্পা এখনও পলাতক রয়েছেন।