Logo
শিরোনাম
ভিপি রুবেলের পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত -একাত্তরের কন্ঠ ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস.এম রকিবুল হাসান (মানিক)। বেলায়েত হোসেনকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান। আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর মেয়রপ্রার্থী লিপুর পক্ষে ঘাটাইলে অটোরিকশা চালকদের শোডাউন। বানারীপাড়ায় অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিনের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ। পরিষদের কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও। ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে কাজী আরজু।

সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর।

রাফসান সাইফ সন্ধিঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। এ নিয়ে ৮ মাসে ১১ বার তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর হলো এবং মামলার সাক্ষী দুই পুলিশ কর্মকর্তা হাজির না হওয়ায় তাদের জেরা করা হয়নি।
মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন। ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই মুক্তি। তিনি টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, মঙ্গলবার এই হত্যা মামলার সাক্ষীর জন্য ধার্য্য তারিখ ছিলো। মামলার কারাবন্দি আসামী টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। তার পক্ষে ঢাকা থেকে আসা আইনজীবী মোহাম্মদ আলী প্রায় দুই ঘন্টা জামিনের জন্য শুনানিতে অংশ নেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী এবং বাদিপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে শুনানী শেষে বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন। দীর্ঘ ৬ বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পন করেন। আদালত ওই দিন তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।
এ দিকে এই মামলার দুই স্বাক্ষী পুলিশ পরিদর্শক ওবায়দুর রহমান এবং উপপরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশিদ আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের জেরা শেষ হয়নি। এর আগে এই দুই কর্মকর্তা আদালতে স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। কিন্তু আসামী পক্ষ থেকে তাদের জেরা করা হয়নি। আদালত আগামী ৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য্য করেছেন। ওই দিন এই দুই স্বাক্ষী এবং অপর স্বাক্ষী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রাণী দাসকে স্বাক্ষ্য দিতে হাজির হওয়ার জন্য আদালত সমন জারি করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকান্ডে সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে এ দুই জনের দেয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এর পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।