Logo
শিরোনাম
ভিপি রুবেলের পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত -একাত্তরের কন্ঠ ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস.এম রকিবুল হাসান (মানিক)। বেলায়েত হোসেনকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান। আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর মেয়রপ্রার্থী লিপুর পক্ষে ঘাটাইলে অটোরিকশা চালকদের শোডাউন। বানারীপাড়ায় অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিনের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ। পরিষদের কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও। ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে কাজী আরজু।

গার্মেন্টস শ্রমিক থেকে শিল্পপতি কাজী আরজু!




স্টাফ রিপোর্টারঃ কাজী আরজু টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে হঠাৎ করেই তার ঘাটাইলে আগমন ঘটে। তিনি উপজেলার একাশি গ্রামের কাজী জব্বারের ছেলে। চার সন্তানের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

কাজী আরজুর বাবা দরিদ্র কৃষক থাকলেও তিনি এখন বিপুল অর্থবিত্তের মালিক। কাজী আরজু নিজেকে শিল্পপতি পরিচয় দেন। জানা যায় একসময় তিনি গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিক হিসেবে চাকুরি করতেন। চাকুরি ছেড়ে দিয়ে ব্যবসায় অগ্রসর হন। পরে তিনি বাংলাদেশ থেকে প্রচুর স্টুডেন্টকে অবৈধভাবে ইউরোপ বিভিন্ন দেশে পাঠান। এভাবেই তার ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। অর্থবিত্তের মালিক হন, নামে বেনামে গড়ে তোলেন অবৈধ সম্পদ।

কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত না থাকলেও ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে এলাকায় অপরিচিত মুখ কাজী আরজু টাকা পয়সা খরচ করেই ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই খোলস বদলে নিজেকে ক্ষমতাবান ভাবতে শুরু করেন। কাজী আরজুর দলীয় পদ-পদবী না থাকলেও তিনি নিজেকে আওয়ামীলীগার দাবী করেন।

কাজী আরজু ইতিমধ্যেই নিজ গ্রামসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নামে পরিনত হয়ে উঠেছেন। মাদক ব্যবসা, মুক্তিযোদ্ধার উপর নির্যাতন, জমি দখল, এম্বোলেন্স চালককে মারধর, ব্যবসায়ীদের পিটিয়ে আহত করা সহ তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। রয়েছে নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলা, নিজ বাসভবনে টর্চারসেল তৈরি করার অভিযোগ।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম লেবু বলেন, কাজী আরজু আওয়ামী লীগের কও নন, ২০১৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হটাৎ করেই তিনি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচত হয় এবং ২০১৯ সালের পূর্বে কখনো কাজী আরজুকে আমরা রাজপথে দেখিনি। কাজী আরজু বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী সাবেক সংসদ আমানুর রহমান খান রানার সহকারী হিসেবে কাজ করেন।