Logo
শিরোনাম
ভিপি রুবেলের পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত -একাত্তরের কন্ঠ ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস.এম রকিবুল হাসান (মানিক)। বেলায়েত হোসেনকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান। আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর মেয়রপ্রার্থী লিপুর পক্ষে ঘাটাইলে অটোরিকশা চালকদের শোডাউন। বানারীপাড়ায় অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিনের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ। পরিষদের কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও। ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে কাজী আরজু।

ড্রাগন চাষ করে আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার।

জাহাঙ্গীর আলম,টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার ড্রাগন ফল চাষ করে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচিত হয়েছেন।তাকে অনুকরণ করে এলাকার অনেকেই এখন ড্রাগন ফল চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেছেন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সব ধরণের মাটিতেই ড্রাগন ফল চাষ করা যায়। তবে উঁচু জমিতে চাষ করা উত্তম। এ গাছ অতিরিক্ত আলো ও কম বৃষ্টি পছন্দ করে। এ গাছের গোড়ায় বৃষ্টির পানি জমে থাকলে গাছ মারা যাওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।



চারা রোপণের জন্য ভালো ভাবে জমি চাষ করে তিন মিটার পর পর গর্ত করে পাঁচ-দশ কেজি হিসান, ৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ১০০গ্রাম টিএসপি, ১০০ এমওপি, ১০গ্রাম জিপ্ফা, ১৫-২০ গ্রাম টোপাজওবোর-ফা দিয়ে গর্ত ভরে দিতে হয়।

গাছ রোপণ শেষে প্রতিটি গাছ খুঁটির সাথে বেঁধে দিতে হয়- যাতে ঝড়-বৃষ্টিতে গাছের কোন ক্ষতি না হয়, এতে ফলনও ভালো হয়।

সূত্রমতে, ড্রাগন গাছে ফুল আসার ২০-২৫ দিনের মধ্যে ফল হয়, দুই মাস পর্যন্ত ফুল ও ফল ধরা অব্যাহত থাকে। প্রতিটি ড্রাগন ফলের ওজন ২০০গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কর্তৃক উদ্ভাবিত ড্রাগন ফলের নতুন জাতটি হচ্ছে বারি ড্রাগন ফল-১, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় একটি জনপ্রিয় ফল।

এ ফলের আকার বড়, পাঁকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির। ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম। একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও সাগরদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার জানান, তিনি সাগরদীঘি মৌজায় ইচার চালা গ্রামে দুই একর জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন।



৭-৮ ফুট দূরত্বে সিমেণ্টের তৈরি পিলারের চার পাশে ড্রাগন গাছ রোপন করেছেন। সিমেণ্টের এসব পিলারের উপরে খুঁটির সাথে কষ্টটেপ দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

ড্রাগন চাষী হেকমত সিকদার জানান, এবছর দুই একর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করেছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।

আশার কথা, তাকে অনুসরণ করে স্থানীয় কয়েকজন বেকার যুবক নিজেদের জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করতে উদ্যোগী হয়েছেন।