Logo
শিরোনাম
ভিপি রুবেলের পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত -একাত্তরের কন্ঠ ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস.এম রকিবুল হাসান (মানিক)। বেলায়েত হোসেনকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান। আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর মেয়রপ্রার্থী লিপুর পক্ষে ঘাটাইলে অটোরিকশা চালকদের শোডাউন। বানারীপাড়ায় অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিনের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ। পরিষদের কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও। ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে কাজী আরজু।

ত্রিশালে যৌতুক দিতে না পারায় নির্যাতনের শিকার গৃহবধু ফাতেমা।

ইমরান হাসান বুলবুল, ত্রিশাল(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ

ত্রিশালে যৌতুকের টাকার জন্য ১ সন্তানের মাকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামী, শ্বাশুরী ও দেবর মিলে এ নির্যাতন করেছে বলে জানা গেছে। নির্যাতিতা নারী ফাতেমা আক্তার হাসপাতালে চিকিৎসার পর বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।

জানা গেছে উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের গুজিয়াম গ্রামের ছফির উদ্দিনের ছেলে সারোয়ার জাহান রুবেল ২ বছর পূর্বে ভালুকা উপজেলার নিশিন্দা গ্রামের মৃত হাতেম আলীর মেয়ে ফাতেমা আক্তার (২০) কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। বিয়ের পর ফাতেমা আক্তার জানতে পারে তার স্বামী রুবেল এর আগে আরো ২টি বিয়ে করেছে। তার আগের একটি সন্তানও রয়েছে।

ফাতেমা আক্তার অভিযোগ করেন বিয়ের পর থেকে প্রায়ই যৌতুকের টাকার জন্য তাকে নির্যাতন করতো তার স্বামী ও শ্বাশুরী। স্বামীর সংসারে একটু সুখে থাকার জন্য বিভিন্ন সময়ে সে তার মায়ের কাছ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা তার স্বামীকে দিয়েছেন। প্রায় ১বছর পূর্বে ফাতেমা আক্তারের ঘরে একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। সন্তান হওয়ার পর থেকে তার উপর অত্যাচার আরো বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে সে স্বামীর সংসার ছেড়ে বাপের বাড়িতে মায়ের কাছে চলে যায়। মায়ের সাথে ১ মাস থাকার পর তার স্বামী ও শ্বাশুরী ফাতেমাকে বুঝিয়ে ২৯ মার্চ তাদের বাড়ীতে নিয়ে আসে।

অভিযোগ উঠেছে ঐদিন রাত ৩টার দিকে তার স্বামী রুবেল, শ্বাশুরী রাশিদা খাতুন ও দেবর তারেক মিলে ব্যপক মারধর করে আহত করে। আহত অবস্থায় পরদিন সকালে ফাতেমা তার মাকে খবর দেয় হাসপাতালে নেয়ার জন্য। ফাতেমার মা তাকে স্বামী বাড়ী থেকে উদ্ধার করে ত্রিশাল থানায় অবগত করে। ত্রিশাল থানা পুলিশ তাকে চিকিৎস্যার জন্য হাসপাতালে যেতে বলে।

পরে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ মার্চ সকালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে ফাতেমা বিচারের আশায় আমিরাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কোন বিচার পাচ্ছেনা।

ফাতেমা আক্তার জানান তার শ্বশুর ছফির উদ্দিন একজন গ্রাম পুলিশ।