Logo
শিরোনাম
ভিপি রুবেলের পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত -একাত্তরের কন্ঠ ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস.এম রকিবুল হাসান (মানিক)। বেলায়েত হোসেনকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান। আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর মেয়রপ্রার্থী লিপুর পক্ষে ঘাটাইলে অটোরিকশা চালকদের শোডাউন। বানারীপাড়ায় অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিনের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ। পরিষদের কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও। ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে কাজী আরজু।

বৃদ্ধ বয়সেও একমাত্র ভরসা মসজিদের টিউবওয়েলের পানি।

আবদুল্লাহ আল নোমান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

করিমন বেওয়া বয়স প্রায় ( ৭০)। এ বয়সেও তিনি প্রায় ৫০০ গজ দূরে মসজিদের টিউবওয়েল থেকে বালতিতে করে পানি এনে সংসার পরিচালনার যাবতীয় পানির চাহিদা সংক্রান্ত সকল কাজ করেন। এযুগেও এমন দৃশ্য হৃদয় নাড়া দেওয়ার মত।

এমন খবর পাওয়া গেছে ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ১ নং ধর্মগড় ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঝাড়বাড়ী গ্রামের মৃত ফজিল উদ্দিন এর স্ত্রী করিমন বেওয়া (৭১) এর কাছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, করিমন বেওয়ার স্বামী ফজিল উদ্দীন প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ বছর আগে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দুই নাবালক মেয়ে রেখে। তার কোন ছেলে সন্তান নেই, মেয়েদের বিয়ে দেন অনেক আগেই তখন থেকেই তিনি একা হয়ে পড়েন। তারপর থেকেই চলে করিমন বেওয়ার দুর্বিষহ জীবন যাপন।

করিমন বেওয়া বলেন, আমি এই মসজিদ থেকেই অনেক দিন ধরে পানি নিয়ে আসি তারপর সেই পানি দিয়ে গোসল, রান্না, খাওয়া ও নামাজ সহ সকল কাজ করি এই পানি থেকে । আমি বার বার চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে চেয়েছি কিন্তু আমাকে তারা কোনো ব্যবস্থা করে দেয়নি তারা আরো বলে আমি নাকি ভালো ভাবেই চলি। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন টাকা দিলে টিউবওয়েল পাবো না হলে পাবনা আমি যদি টাকাই দিতে পারি তাহলে তো আমি নিজেই কিনে নিতে পারি। করিমন বেওয়ার বাড়িতে গিয়ে আরও দেখা যায় তিনি দুই শতক এর কাছাকাছি একটি জমিতে খুব ছোট একটা ঘর করেছেন উপরে টিন ও চার পাশে খরের বেড়া দিয়ে যা তাও আবার প্রায় ভাংচুর অবস্থায় পরে আছে। কিন্তু নেই কোন বিদ্যুতের আলো, নেই কোনো স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট, খাবার পানির টিউবওয়েল। তিনি প্রায় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতেই বসবাস করছেন বলে ধরা যায়। তিনি দুঃখ করে বলেন, এই বয়সে এসে আমি আর কষ্ট করতে পারছি না আমাকে যদি কেউ একটি টিউবয়েলের ব্যবস্থা করে দিত আমি খুব খুশি হইতাম।

পাশের বটতলী বাজারের এক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে যানা যায় করিমন বেওয়া মাঝে মাঝে এই বাজারে আসে সাহায্য নিতে তাই দিয়েই চলে মোটামুটি ভাবে দিনযাপন।

এ বিষয়ে ধর্মগড় ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুর রশিদের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি তাকে চিনি সে খুব অসহায় ভাবে দিন যাপন করে এবং মানুষের কাছে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়েই চলে।

এ বিষয়ে ১নং ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুলের সাথ ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে রানীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি জানিনা আপনি জানালেন আমাকে সেই মহিলার তথ্যগুলো দিলে আমি ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।