Logo
শিরোনাম
নির্মান প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নে টেলিভিশন প্রদান। আবারও সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন ১৪ দফায় নামঞ্জুর মেয়রপ্রার্থী লিপুর পক্ষে ঘাটাইলে অটোরিকশা চালকদের শোডাউন। বানারীপাড়ায় অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিনের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ। পরিষদের কাজে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুমোদন নেবেন ইউএনও। ঘাটাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে কাজী আরজু। সন্ধানপুর ইউনিয়নে নবজাতক শিশুদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন সাবেক এমপি মরহুম ডাঃ মতিউর রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালন রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস পরিদর্শনে ওবায়দুল হক নাসির।

মুক্তিযোদ্ধা হত্যা এবং অস্ত্র মামলায় সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর।

আওয়ামী লীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলা এবং একটি অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল (২১ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলা এবং একটি অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত সহিদুর ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় মামলায় তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আত্মসমর্পণের পর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে রয়েছেন। তিনি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং বর্তমান সাংসদ আতাউর রহমান খানের ছেলে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা এবং তাঁর অপর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এরপরই তাঁরা আত্মগোপন করেন।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে ৪ ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর আত্মসমর্পণের পর দুই বছর হাজতে থাকার পর জামিনে মুক্ত আছেন। জাহিদুর ও সানিয়াত এখনো পলাতক। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। অপর দিকে সহিদুর আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী থেকে দুটি নাইন এমএম পিস্তলসহ একজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ওই ব্যক্তির স্বীকারোক্তিতে পিস্তল দুটি সহিদুর তাঁর কাছে দিয়েছিলেন বলে বের হয়ে আসে। এ অস্ত্র মামলাটি টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।